লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও পাতি লেবু খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা হয়তো লেবু খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে কোনো পোস্ট খুজতাছেন চিন্তার কোনো কারণে নেয়। আপনাদের সমস্যা সমাধানের জন্য আজকে আমরা এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব এবংআরো জানাবো পাতি লেবু খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে।তাহলে চলুন দেরিনা করে সম্পূর্ণ পোস্টটা মনোযোগ সহকারে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও পাতি লেবু খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন

লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। মানবদেহের জন্য লেবু খাওয়ার উপকারিতা অনেক। প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনে লেবু খাওয়া প্রয়োজন। আমরা এই পোস্টে ত্বকে লেবুর উপকারিতা এবং লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতার সম্পর্কে জানবো।সেগুলো জানতে হলে সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

ভূমিকা

বাংলাদেশে কয়েকটি প্রজাতির লেবু চাষ করা হয়ে থাকে। লেবু খাওয়ার উপকারিতা অনেক।প্রত্যেকটা লেবুর আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণের সমৃদ্ধ থাকে। লেবুতে রয়েছে পটাশিয়াম ,ম্যাগনেসিয়াম ,ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি ইত্যাদি। লেবুর পষ্টিগুন গুলো আমাদের শরীর সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেবু আমাদের দেহে হাজারো রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করতে থাকে।

প্রতিদিন সকালে যদি লেবুর রস খাওয়া যায় তাহলে মুখের ভেতরের গন্ধ দূর হয়ে যায়।ত্বকের যত্ন জন্যেও লেবু তুলনা অপরীসিম। প্রতিটি মানুষেরই লেবু খাওয়া প্রয়োজন। আজকে আমাদের পোস্টে জানাবো চুলের জন্য লেবুর উপকারিতা ও লেবুর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। তাহলে চলুন পোস্টটি মনোযোগ সহকারে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

অন্যান্য দেশের তুলনায় বর্তমান সময়ে বাংলাদেশেও ব্যাপক হারে লেবু চাষ হয়ে থাকে।লেবুতে রয়েছে হাজারো রোগের ঔষধ। রূপচর্চার কাজেও বর্তমানে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লেবু।পুষ্টিগুনের সমৃদ্ধে থাকায় বিভিন্ন ইনফেকশন দূর করতে লেবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের দাঁত হলদে হয়ে থাকে ভালো ভালো কোম্পানির টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁতের হলদে দাগ দূর হতে চাই না।

তাদের জন্য সবচাইতে ভালো উপায় হলো তারা প্রতিদিন সকালবেলায় লেবুর খোসার সাথে লবণ মাখিয়ে ভালো করে দাঁত মাজা তাহলে কিছুদিনের মধ্যে দাঁত সাদা হয়ে যাবে। মানসিক প্রশান্ত পেতে লেবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিটা মানুষেরই নিজেদের খাদ্য তালিকায় লেবু রাখা প্রয়োজন।

অনেকেই ভাতের সাথে লেবু খেয়ে অভ্যস্ত ভাতের সাথে লেবু খেলেও আমরা পুষ্টি পেয়ে থাকি। অনেকের খাদ্য হজম করতে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয়। খাদ্য হজমে জন্য সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে লেবুর রস খাওয়া। লেবুর রস খেলে দ্রুত খাদ্য হজম হতে সাহায্য করে।

লেবু ত্বকের দাগ দূর করতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।লেবু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও বেশ কার্যকর। মুখের বিভিন্ন ব্রণ দূর করতে লেবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এভাবেই হাজারো রোগের ঔষধ হিসেবে আমরা লেবুকে ব্যবহার করতে পারি।

লেবু খাওয়ার অপকারিতা

অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে অনেক সময় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হয়। তাই যে জিনিস যতটুকু খাওয়া প্রয়োজন সে অনুযায়ী খাওয়া ভালো অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে এসিডিটির সমস্যা সৃষ্টি হয়। অনেক সময় অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে পেট খারাপ হয়ে থাকে। অতিরিক্ত লেবু খেলে দাঁতের এনমেল ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই লেবু পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত অতিরিক্ত খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়।

লেবু খাওয়ার উপকারিতা

আমার দেশের সারা বছরই লেবু চাষ করা হয়ে থাকে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।লেবু দেহ হতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেহের কার্যকর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। গরমে কিংবা রোজার সময় লেবুর শরবত খেলে হৃদয় ঠান্ডা হয়ে যায়।

লেবুর শরবত খেলে দেহ শক্তি পাওয়া যায়।লেবুতে রয়েছে পলিফেনলস,ভিটামিন সি,টের্পেনস,সাইট্রিক অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রটিন, ভিটামিন এ ম্যাগনেসিয়াম,পটাশিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ,ফসফরাস ভিটামিন বি ইত্যাদি। হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে লেবু সর্বোউত্তম। নিয়মিত লেবু খেলে দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশের প্রায় কয়েক জাতের লেবু চাষ করা হয়।যেমন বাতাবি লেবু, কাগজি লেবু, পাতি লেবু ইত্যাদি। লেবু রূপচর্চার জন্য বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। লেবু আমাদের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাহলে চলুন দেখা যাক লেবু খাওয়ার ফলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যায়।

ফুসফুসের জন্য ভালোঃ লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি যা ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।চর্বি ও লিপিড কমাতে লেবু বেশ কার্যকর।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ লেবুতে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাই প্রতিটি মানুষ নিয়মিত লেবু খেয়ে ক্যান্সার হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

চোখের জন্য ভালোঃ লেবুতে ভিটামিন সি ভিটামিন এ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। ভিটামিন এ আমাদের চোখের সমস্যা দূর করে ও চোখে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই যারা চোখের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত লেবু খাওয়ার চেষ্টা করেন।

লিভার ভালো রাখেঃ লিভার কে ভালো রাখতে লেবু বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক এসিড যা দেহের বজ্র পদার্থ বের করে লিভারকে সুস্থ রাখে। তার প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় লেবু খাওয়া প্রয়োজন।

মূত্রথলির সংক্রমণ দূর করেঃ প্রতিদিন যদি লেবুর শরবত পান করা হয়। তাহলে মূত্রথলিত যাবতীয় সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যায়। প্রতিটি মানুষের উচিত দিনে একবার লেবুর শরবত পান করা।

কিডনি ভালো রাখেঃ নিয়মিত লেবু খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা থাকে না। তাই প্রত্যেকের চেষ্টা করা উচিত লেবু গ্রহণ করার।

শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করেঃ প্রতিদিন যদি এক গ্লাস করে লেবুর শরবত খাওয়া হয় তাহলে দেহ চাঙ্গা ও মেজাজ ফুরফুরে হয়ে থাকে।

রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি দেয়া এবং শরীর সুস্থ থাকতে শতভাগ সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় লেবু খাওয়া প্রয়োজন।

বয়স্কের ছাপ দূর করেঃ লেবু শুধু রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে না বরং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও বেশ কার্যকর। নিয়মিত লেবু খেলে বয়স্কের ছাপ কমিয়ে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করেঃ প্রতিদিন সকালে যদি লেবুর পানি কুসুম গরম করে খাওয়া যায়। তাহলে হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই যাদের হজম সংক্রান্ত প্রবলেম আছে তারা নিয়মিত লেবুর রস খাবেন।

গর্ভবতী মহিলাদের সুস্থতাঃ গর্ভবতী অবস্থায় মহিলাদের পুষ্টি ঘাটতি পড়ে যায় এর জন্য নিয়মিত লেবু পানি পান করা প্রয়োজন। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি পটাশিয়াম যা বাচ্চার দেহ গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

পাকস্থলী সুস্থ রাখেঃ পেটের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য লেবুর রস খাওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত যদি লেবুর রস খাওয়া যায় পেটের যাবতীয় সমস্যা কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যাবে ও পাকস্থলী সুস্থ থাকবে।

ক্ষত সারায়ঃ অনেক সময় আমাদের দেহে বিভিন্ন ক্ষত সৃষ্টি হয় এ ক্ষত থেকে ইনফেকশ হয়। ইনফেকশন ভালো করতে লেবুর রস কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই ইনফেকশন এর মহা ঔষধি হলো লেবুর রস।

চুলকানি ভালো করেঃ চুলকানি সারতে লেবুর রস-বেস কার্যকর। চুলকানি যুক্ত স্থানে লেবুর রস লাগালে চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নখ সুন্দর করেঃ নখকে সুন্দর সাদা চকচকে করার জন্য নিয়মিত লেবুর রস দিয়ে নখ আশেপাশে পরিষ্কার করা উচিত। এভাবে কিছুদিন নখ পরিষ্কার করার ফলে নখ চকচকে হয়ে যাবে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করেঃ অনেকের মুখে খাওয়ার পর খাবার জমে থেকে তা পরবর্তী সময় মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। নিয়মিত যদি লেবুর পানি দিয়ে কুলকুচি করা যায়। তাহলে মুখের গন্ধ একেবারে ভালো হয়ে যাবে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ নিয়মিত লেবুর রস খেলে আমাদের দেহে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে । তাই প্রতিটি মানুষের নিজের খাদ্য তালিকায় লেবু খাওয়া প্রয়োজন।

দাঁতের হলদে ভাব দূর করেঃ লেবু খেয়ে লেবুর খোসা সাথে হালকা নুন মাখিয়ে নিয়ে যদি দাঁত মাজা যায়। তাহলে তার দাঁত চকচকে ও সাদা ফটফটে হয়ে যাবে। তাই যাদের দাঁতে দাগ আছে তারা চেষ্টা করবেন লেবুর খোসা দিয়ে দাঁত মাজার।

ত্বকে লেবুর উপকারিতা

  • লেবু অকালে বয়স্ক ছাপ দূর করে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  • লেবু মুখের ব্রণ ও কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
  • লেবু হাতের কনুইয়ের থাকা কালো দাগ দূর করে।
  • লেবুর খোসার এর সাথে লবণ মিশিয়ে একসাথে দাঁত মাজলে তাদের হলদে দাগ দূর হয়ে সাদা চকচক করে।
  • লেবু মাথার চুল সিল্কি ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।

চুলে লেবুর উপকারিতা

চুলের ব্যবহারে লেবুর উপকারিতা অনেক। যদি নিয়মিত চুলে লেবুর রস ব্যবহার করা হয়।তাহলে চুল পড়া একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে। লেবুর রস যদি মাথার চামড়ায় ঘষে ঘষে লাগানো হয় তাহলে মাথায় খুশকি প্রবলেম দূর হয়ে যায়। লেবুর রস মাথায় দিলে মাথা ঠান্ডা হয়ে যায়।নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহার করলে চুল বৃদ্ধি হয় ও চুল পড়া বন্ধ হয়ে।

নারিকেল তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে যদি চুলে আলতো ভাবে মেসেজ করে দেওয়া হয়। তাহলে কন্ডিশনের মত কাজ করে চুল সিল্কি করতে সাহায্য করে। ভিনেগার লেবুর রস একসাথে চুলে লাগালে ফলে চুল পড়া কমে যায়।চুলের গোড়া ফাটা সমস্যা প্রায় প্রতিটি মহিলার হয়ে থাকেএই জলপাইয়ের তেলের সাথে যদি লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দেওয়া হয়। তাহলে চুল এর গোড়া ফাটা ভালো হয়ে যায় এভাবে চুলের উপকারের জন্য লেবুর তুলনা অপরিসীম।

পাতি লেবু খাওয়ার নিয়ম

গ্রামের সাধারণত মানুষ পাতিলেবু ভাত সাথে খেয়ে অভ্যস্ত ভাত দিয়ে খাওয়ার বাইরেও আরো বিভিন্নভাবে পাতি লেবু খাওয়া যায়। প্রতিদিন সকালবেলায় যদি লেবুর রস খাওয়া যায়। তাহলে হজমের সমস্যা সৃষ্টি হয় না এবং শরীর সুস্থ থাকে।

অনেকেই লেবুর রসের সাথে চিনি লবণ মিশিয়ে শরবত বানিয়ে খেয়ে থাকে।লেবুর শরবত খেলে শরীর সুস্থ ও চাঙ্গা থাকে। বর্তমানে খাবারে লেবু না দিলে যেন খাবারে সঠিক স্বাদ পাওয়া যায় না। লেবুতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। তাইলে লেবুকে যেভাবে খাওয়া যায় না কেন লেবু সঠিক পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়।

লেবুর পুষ্টিগুন

লেবুতে প্রচুর পুষ্টি গুণ সমৃদ্ধ থাকে ।শুধু লেবু নয় লেবুর খোসাতেও পুষ্টিগুনে ভরপুর দোকানে প্রায় কয়েক রকমের লেবু পাওয়া যায়। অন্যান্য দামি ফলমূলের চাইতে লেবুর পুষ্টিগুণ সবচাইতে বেশি। ভিটামিন সি যুক্ত ফল হলো লেবু।লেবুতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।

মুখে রুচি বৃদ্ধি করতেও লেবু কার্যকর ভূমিকা পালন করে ।দেহের ক্ষতস্থান সারতে ভিটামিন সি যুক্ত ফল খাওয়া প্রয়োজন। ঠান্ডা জনিত সমস্যা সর্দি-কাশি ও ইনফেকশন নিরাময়ে লেবু খাওয়া প্রয়োজন। লেবু খাওয়ার ফলে লেবুতে থাকা পুষ্টিগুণ দেহের বিভিন্ন রোগ সারতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। চলুন তাহলে লেবুর পুষ্টিগুণ গুলো দেখা যাক।

  • ক্যালসিয়াম-(৯০ মিলিগ্রাম)
  • ফসফরাস-(২০মিলিগ্রাম)
  • ভিটামিন সি-(৬৩ মিলিগ্রাম)
  • ভিটামিন এ-(১৫ মাইক্রোগ্রাম)
  • লৌহ-(০.৩ মিলিগ্রাম)
  • ভিটামিন বি-(০.১৫মিলিগ্রাম)
  • ক্যারোটিন-(১২০মাইক্রোগ্রাম)

অবশেষে বলা যায়

লেবু খাওয়ার উপকারিতা অনেক। লেবু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে মাথায় রেখে আমাদের লেবু গ্রহণ করা উচিত। অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।তাই উপরের সব বিষয়গুলো মাথায় রেখে লেবু গ্রহণ করা উচিত। বন্ধুরা আমাদের লেবু খাওয়ার উপকারিতা পোস্টটি আপনাদের কেমন লেগেছে।যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না। পরবর্তী পোস্ট পাওয়া পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন