দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার

দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার, ফাঁকা দাঁত প্রতিকার সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি খুব সহজে এই সমস্যাটি সমাধান করতে পারবেন।

আচ্ছালামু আলাইকুম প্রিয় দর্শক - দেশি ব্লগর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করব।

দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার সম্পর্কে আরো জানতে গুগলে সার্চ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েব সাইটে অন্যান্য পোস্টগুলো পড়তে পারেন। তো চলুন আমাদের আজকের মূল বিষয়বস্তুগুলো এক নজরে পেজ সূচিপত্রতে দেখে নেয়া যাকঃ

ফাঁকা ও দাঁত প্রতিকার সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি খুব সহজে এই সমস্যাটি সমাধান করতে পারবেন। দাঁত ফাঁকা হওয়ার কারণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তার জানতে চাইলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার

দাঁত ফাঁকা হয় কেন?

প্রথমেই দাঁত ফাঁকা হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে একটু জানা যাক। সাধারণত জেনেটিক কারণে এটি বেশি হয়ে থাকে। বদ অভ্যাসের কারণে যেমন জিহ্বা দিয়ে ধাক্কা দেওয়া, বৃদ্ধাঙ্গুল চোষা ইত্যাদির কারণে আমাদের দাঁত ফাঁকা হয়ে যায়।

আট থেকে নয় বছর সময়ের দিকে বাচ্চাদের সামনের উপরের দুই দাঁতের মাঝখানে ফাঁকা হয়ে যেতে পারে। একে বলে আগলি ডাকলিং স্টেজ। আঘাতজনিত কারণে দাঁত ফাঁকা হতে পারে।

দাঁত ফাঁকা হয়ে যাওয়ার কারণ

  • চুয়াল ও মারির গঠনে কারণে
  • আকারের তুলনায় ছোট দাঁত থাকলে
  • চুয়ালে আঘাত পেলে
  • দাঁত যদি ছোট হয়
  • অনেক সময় ধরে ব্রাশ করার জন্য
  • শক্ত কোন কিছু কামড়ালে
  • অতিরিক্ত  ব্রাশ করলে
  • রোগের কারণে হতে পারে
  • দাঁত পড়ে যাওয়ার কারণে
  • তুলে ফেলার জন্য

দাঁত ফাঁকা হওয়ার প্রতিকার

অর্থোডন্টিক পদ্ধতি এ পদ্ধতিতে রিমুভেবল প্লেট বা ফিক্সড ব্রেস দাঁতে পরিয়ে আস্তে আস্তে সহনীয় মাত্রায় চাপ প্রয়োগ করে দাঁতগুলোকে একত্রিত করা হয়।

আঁকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা পদ্ধতি বা অর্থোডন্টিক্স চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা। এই পদ্ধতিতে চিকিৎসার সময় ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগে।

পোরসেলিন বা জিরকোনিয়াম দ্বারা ক্যাপ বা ক্রাউন করানো। এটা এক সপ্তাহের মধ্যে করা সম্ভব।দাঁত না থাকার কারণে দাঁত ফাঁকা হলে অথবা ফাঁকা বড় হলে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট করে ফাঁকা বন্ধ করা যায়।

লাইট কিউর কম্পোজিট ফিলিংয়ের মাধ্যমে দাঁতের রঙ মিলিয়ে ফিলিং করে বর্তমানে ক্যাপ বা ক্রাউন করতে অনেক বেশি দাঁতের ক্ষতি হয় বিধায় বিভিন্ন ধরনের ভিনিয়ারিং পদ্ধতিতে দাঁতের ফাঁকের চিকিৎসা করা যায়। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে চিকিৎসা করা সম্ভব। এতে দাঁতের ক্ষতিও কম হয়।

এ ছাড়া বর্তমানে বাজারে অনেক ধরনের আধুনিক কম্পোজিট বন্ডিং মেটেরিয়ালস পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে অতি দ্রুত ডাক্তারের চেম্বারে ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসা করানো যায়। এই পদ্ধতিতে একটু সতর্কতা মেনে চলতে হয় রোগীকে, কারণ শক্ত খাবার খাওয়ার কারণে বন্ডিং ভেঙে যেতে পারে। এক থেকে দুই দিন সময় লাগে। 

শেষ কথা 

আজকের আলোচনা থেকে আপনারা জেনেছেন দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার সম্পর্কে। যদি এই সকল বিষয় জানার মাধ্যমে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন‚ তাহলে পোস্ট এর নিচে আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন।

আপনার আসলেই দেশি ব্লগর একজন মূল্যবান পাঠক। দাঁত ফাঁকা হওয়ার ১০টি কারণ ও ৫টি প্রতিকার এর আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ। এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

কোন মন্তব্য নেই
এই পোস্ট সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানান

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন - অন্যথায় আপনার মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না।

comment url